কত বছর বয়সে মেয়েদের মেন্স হয়? কেন মেয়েদের মাসিক হয়!

মেয়েরা যখন প্রাপ্ত বয়ষ্ক হয়, তখন তাদের মেন্স বা পিরিয়ড শুরু হয়। সব মেয়ের মেন্স একই বয়সে শুরু হয়না, বরং ব্যাক্তিভেদে তা ভীন্ন ভীন্ন হয়ে থাকে। তবে সাধারণত ৯ থেকে ১৩ বছরের মধ্যেই এশিয়ান মেয়েদের মেন্স বা মাসিক শুরু হয়ে যায়।

মিডিল ইস্ট বা আরব কান্টিগুলোর মেয়েদের পিরিয়ড কিছুটা বিলম্ব হতে পারে। তবে ৯ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে প্রায় ৯৯% মেয়েদের মাসিক শুরু হয়ে যায়।

কেন মেয়েদের মাসিক হয়?

মাসিক কোন অসুস্থতা নয়। পৃথিবীর সকল নারীদেরই এই প্রকৃতিক সিস্টেমের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। একটি মেয়েকে ভবিষ্যতে সন্তানসম্ভবা হতে শারীরিক এবং মাসসিকভাবে প্রস্তুত করে এই মাসিকের এই প্রক্রিয়া। একজন কিশোরী মেয়ের জন্য এটিই প্রথম সংকেত যা বলে দেয় যে সে ছোট থেকে প্রাপ্ত বয়স্ক হতে চলেছে।

কতদিন পর পর মাসিক হয়?

সুস্থ মেয়েদের সাধারণত প্রতি মাসে ডিম্বাশয় ১ টি ডিম্বাণু উৎপাদন করে। সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ বা পরিপক্ক ডিম্বাণুটি ডিম্বনালির মধ্য দিয়ে জরায়ুতে চলে যায়। জরায়ু হচ্ছে মেয়েদের দেহের এমন একটি অংশ যেখানে শিশু সুরক্ষিত থাকে ও প্রতিনিয়ত প্রয়োজনীয় পুষ্টির যোগান পায়।

যখন মহিলাদের ডিম্বাণু পরিপক্ক হয়, তখন তাদের শরীর জরাযুতে এক প্রকার রাসায়নিক সংকেত পাঠায়। ফলে মহিলাদের জরায়ুর ভিতরের অংশ পুরু হয়ে ওঠে। তখন ডিম্বাশয় থেকে পরিপক্ক ডিম্বাণু বেরিয়ে এসে ডিম্বনালীতে অবস্থান নেয়। এই পুরো সিস্টেমকে বলা হয় ডিম্বাণু উৎপাদন প্রক্রিয়া।

ডিম্বানুটি পুরুষদের শুক্রানু দ্বারা নিষিক্ত হলে গর্ভসঞ্চার হয় বা নারী গর্ভবতী। গর্ভবতী অবস্থায় নিষিক্ত ডিম্বাণুটি ডিম্বনালীর মধ্য দিয়ে জরায়ুতে আসে। ৬ দিনের মধ্যে নিষিক্ত ডিম্বাণুটি জরায়ুতে সৃষ্ট নরম, পুরু আবরণের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে যায়। আর যদি মেয়েটি গর্ভবতী না হয়, তাহলে অনিষিক্ত ডিম্বাণুটি নষ্ট হয়ে যায়।

মহিলাদের জরায়ুর ভেতরে কোন শিশু জন্ম না নেওয়ায় নরম ও পুরু আবরণটিও ভেঙে যায়; তখন শরীর থেকে রক্তের আকারে বের হয়ে আসে। এভাবেই মহিলাদের মাসিকের শুরু হয়।

About Lana Rose